নিজস্ব প্রতিনিধিআলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মাওলানা জাকির হামিদী কুতুবপুর ইউনিয়নের একজন সুপরিচিত সমাজসেবক, ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ও সফল ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। সততা, নেতৃত্বগুণ এবং মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি ইতোমধ্যেই কুতুবপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
শিক্ষাজীবনে তিনি সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা থেকে কামিল (পাস) সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (অনার্স), এম.এ, এল.এল.বি এবং এল.এল.এম ডিগ্রি অর্জন করেন। ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা তাঁর ব্যক্তিত্ব সমাজে ইতিবাচক নেতৃত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ব্যবসায়িক জীবনেও তিনি সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইউরোপভিত্তিক “আটলান্টিক ট্রাভেল এন্ড কনসালট্যান্ট লিঃ”-এর প্রোপাইটর। এছাড়া “বিসমিল্লাহ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি”-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। নবাবপুর টাওয়ার, ঢাকায় মোবাইল অ্যাক্সেসরিজের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসার সঙ্গেও তিনি জড়িত।
ছাত্রজীবনে তিনি একজন জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ও ভিপি ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন ও বাধার শিকার হলেও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার থেকে কখনো পিছিয়ে যাননি।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি “হাফেজ আবদুল হামিদ ফাউন্ডেশন”-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এছাড়া বায়তুল হামিদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার জমিদাতা ও মোতওয়াল্লী হিসেবে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে কাজ করছেন। তিনি “হাফেজা সিরাতিল মোস্তাকিম মাদ্রাসা” এবং প্রস্তাবিত “জাকির হামিদী ইসলামিক স্কুল”-এর প্রতিষ্ঠাতা।
এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতি, উপদেষ্টা ও নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি হিসেবে তিনি এলাকার উন্নয়ন, যুবসমাজের অগ্রগতি এবং সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কুতুবপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।