মোঃ দেলোয়ার হোসেনরাজধানীর শান্তিনগর বাজারে অবস্থিত আমিনবাগ কো-অপারেটিভ মার্কেট সোসাইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কেটের শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মতবিনিময় ও প্রচারণা শুরু করেছেন।
রেজিস্ট্রেশন নং-১০/১৯৫২, সংশোধিত ১৬/২০১৮—দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এই সমবায়ী মার্কেটের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনকে ঘিরে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদ’।
পরিষদের মূল বার্তা—“শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে সবাইকে নিয়ে সঠিক পথে দ্রুত উন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য।”
এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সভাপতি পদে মোঃ এমরান হোসেন, সহ-সভাপতি পদে মোঃ ইস্কান্দার এবং সম্পাদক পদে অ্যাড. মোঃ ঈমান হোসেন কাননসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য/পরিচালক পদে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সভাপতি পদে মোঃ এমরান হোসেন
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীদের একজন মোঃ এমরান হোসেন, সদস্য নং-৯৪১। তিনি সভাপতি পদে ছাতা মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদের নেতৃত্বস্থানীয় প্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রচারণাকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে মার্কেটকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উন্নত করার লক্ষ্য সামনে রেখে তাঁর পক্ষে ভোট চাওয়া হচ্ছে।
সমর্থকদের প্রত্যাশা, একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা কমিটি মার্কেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। মার্কেটের ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, শেয়ার হোল্ডারদের প্রত্যাশা পূরণ এবং কর্মচারীদের কল্যাণে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশাও রয়েছে।
সভাপতি পদে ছাতা মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ এমরান হোসেনকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি তাঁর সমর্থকেরা আহ্বান জানাচ্ছেন।
সহ-সভাপতি পদে মোঃ ইস্কান্দার
মোঃ ইস্কান্দার, সদস্য নং-২৭০, সহ-সভাপতি পদে মোমবাতি মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী।
একটি সমবায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি সহ-সভাপতির ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই জায়গা থেকে মার্কেটের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁর প্রচারণা চলছে।
শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং মার্কেটের সার্বিক পরিবেশ উন্নত করার লক্ষ্যে তাঁকে সমর্থনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর সমর্থকেরা মোমবাতি মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ ইস্কান্দারকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্পাদক পদে অ্যাড. মোঃ ঈমান হোসেন কানন
অ্যাড. মোঃ ঈমান হোসেন কানন, সদস্য নং-৫৫০, সম্পাদক পদে হাতপাখা মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পাদক পদটি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই পদে প্রার্থীকে ঘিরেও ভোটারদের আগ্রহ রয়েছে। এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদের মূল উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে তাঁর পক্ষে প্রচারণা চলছে।
মার্কেটের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে সমন্বয়, শেয়ার হোল্ডার ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনার প্রত্যাশা নিয়ে ভোটারদের কাছে সমর্থন চাওয়া হচ্ছে।
হাতপাখি মার্কায় ভোট দিয়ে অ্যাড. মোঃ ঈমান হোসেন কাননকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকেরা।
পরিচালক পদে মোঃ মিজানুর রহমান
মোঃ মিজানুর রহমান, সদস্য নং-২১৮, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য/পরিচালক পদে টেলিভিশন মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পরিচালক হিসেবে মার্কেটের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন এবং শেয়ার হোল্ডারদের স্বার্থ ব্যবস্থাপনা কমিটির সামনে তুলে ধরার সুযোগ থাকে। সেই প্রত্যাশা সামনে রেখে তাঁর পক্ষে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
মার্কেটের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্পৃক্ত করা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ভোটারদের প্রতি আহ্বান—টেলিভিশন মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ মিজানুর রহমানকে বিজয়ী করুন।
পরিচালক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান (হবি)
মোঃ হাবিবুর রহমান (হবি), সদস্য নং-৭৯৬, পরিচালক পদে ময়ূর মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদের প্রার্থী হিসেবে তিনি ভোটারদের কাছে সমর্থন চাইছেন। শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সমন্বিত স্বার্থকে সামনে রেখে মার্কেটের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর সমর্থকদের মধ্যে।
একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উন্নয়নমুখী মার্কেট গড়ে তুলতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই ময়ূর প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ময়ূর মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ হাবিবুর রহমান (হবি)-কে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকেরা।
পরিচালক পদে মোঃ জাকির হোসেন
মোঃ জাকির হোসেন, সদস্য নং-১০৬৪, পরিচালক পদে বাইসাইকেল মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মার্কেটের উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। শেয়ার হোল্ডার থেকে শুরু করে দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারী—সবার স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রত্যাশা তুলে ধরা হচ্ছে।
ভোটারদের কাছে তাঁর সমর্থকেরা উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
বাইসাইকেল মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ জাকির হোসেনকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিচালক পদে ইকবাল চৌধুরী
ইকবাল চৌধুরী, সদস্য নং-৮১২, পরিচালক পদে দেয়ালঘড়ি মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী তিনি।
মার্কেটের উন্নয়ন, ব্যবসায়ী ও শেয়ার হোল্ডারদের স্বার্থ এবং কর্মচারীদের কল্যাণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁর পক্ষে প্রচারণা চলছে।
একজন পরিচালক হিসেবে মার্কেটের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মতামত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তুলে ধরা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর সমর্থকেরা মনে করছেন, সমন্বিত নেতৃত্বের মাধ্যমে মার্কেটের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।
ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর সমর্থকেরা আহ্বান জানিয়েছেন—দেয়ালঘড়ি মার্কায় ভোট দিয়ে ইকবাল চৌধুরীকে বিজয়ী করুন।
পরিচালক পদে মোঃ খোরশেদ আলম
মোঃ খোরশেদ আলম, সদস্য নং-৫৬৭, পরিচালক পদে খেজুর গাছ মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মার্কেটের শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। ব্যবস্থাপনায় সদস্যদের অংশগ্রহণ এবং সবার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা তুলে ধরা হচ্ছে।
মার্কেটের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ভোটারদের তাঁর পক্ষে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
খেজুর গাছ মার্কায় ভোট দিয়ে মোঃ খোরশেদ আলমকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকেরা।
প্রচারণায় ইঞ্জিঃ মোঃ আবুল হোসেন
ইঞ্জিঃ মোঃ আবুল হোসেন, সদস্য নং-১৪৯, উন্নয়ন পরিষদের প্রচারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় পরিষদের প্রার্থীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভোটারদের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি ভূমিকা রাখছেন।
শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মার্কেটের উন্নয়ন করার বার্তা নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পরিষদের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
প্রচারণায় সৈয়দ হারুন-অর-রশিদ
সৈয়দ হারুন-অর-রশিদ, সদস্য নং-৭৮৩, উন্নয়ন পরিষদের প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। প্রার্থীদের পক্ষে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নির্বাচনী প্রতীকগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি পরিষদের উন্নয়নমূলক লক্ষ্য প্রচার করছেন তিনি।
মার্কেটের সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা সামনে রেখে ভোটারদের কাছে পরিষদের প্রার্থীদের সমর্থন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
প্রচারণায় মোঃ রিপন মিয়া
মোঃ রিপন মিয়া, সদস্য নং-১২৮৯, উন্নয়ন পরিষদের নির্বাচনী প্রচারণার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি পরিষদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটারদের কাছে সমর্থন ও ভোট প্রার্থনা করছেন।
মার্কেটের শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রচারণা চলছে। নির্বাচনে যোগ্য ও উন্নয়নমুখী প্রার্থীদের সমর্থনের জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
উন্নয়নই মূল প্রত্যাশা
আমিনবাগ কো-অপারেটিভ মার্কেট সোসাইটি লিমিটেডের এবারের নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা—মার্কেটের সার্বিক উন্নয়ন ও সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ রক্ষা।
শেয়ার হোল্ডারদের প্রত্যাশা তাঁদের অধিকার ও স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হবে। দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা চান নিরাপদ ও সুন্দর ব্যবসায়িক পরিবেশ। কর্মচারীরাও চান তাঁদের কল্যাণ ও ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হোক।
এসব প্রত্যাশাকে সামনে রেখে ‘এমরান-ইস্কান্দার-কানন পরিষদ’ সবাইকে নিয়ে, সঠিক পথে দ্রুত উন্নয়নের যে বার্তা দিয়েছে, তা নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ভোটারদের সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে কারা আগামী তিন বছরের জন্য আমিনবাগ কো-অপারেটিভ মার্কেট সোসাইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্ব পাবেন।
নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়লেও সবার প্রত্যাশা একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যেন ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে শেয়ার হোল্ডার, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী ও কর্মচারী—সবার কল্যাণে কাজ করেন, এটাই এখন ভোটারদের প্রধান প্রত্যাশা।